থ্রি: ফিফটি থ্রি এ.এম.(হার্ডকভার) – নিক পিরোগ , সালমান হক (অনুবাদক) | চিরকুট
প্রিন্ট / প্রকাশনী: চিরকুট
- Estimated Delivery : Up to 4 business days
- Free Shipping & Returns : On all orders over $200

থ্রি ফিফটি থ্রি এ এম – নিক পিরোগ | হেনরি বিন্স সিরিজ
নিক পিরোগ-এর থ্রি এ এম সিরিজ পাঠকদের কাছে এক দারুণ জনপ্রিয় থ্রিলার কাহিনি। এই সিরিজের ষষ্ঠ কিস্তি “থ্রি: ফিফটি থ্রি এ.এম.” অনুবাদ করেছেন সালমান হক, এবং বাংলা সংস্করণ প্রকাশ করেছে চিরকুট প্রকাশনী।
গল্পের মূল প্লট
হেনরি বিন্স – যার অস্তিত্ব প্রতিদিন মাত্র এক ঘণ্টার জন্য! ঠিক মধ্যরাত ৩টায় ঘুম থেকে উঠে ৪টায় আবার ঘুমিয়ে পড়েন। কিন্তু এই এক ঘণ্টার মধ্যেই ঘটে যায় রুদ্ধশ্বাস অ্যাডভেঞ্চার। এই পর্বে হেনরির সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ – নিজের বাবাকে নির্দোষ প্রমাণ করা।
উত্তরের খোঁজে হেনরিকে ফিরে যেতে হয় ইতিহাসের পাতায়, ১৯৭১ সালের ভিয়েতনাম-আমেরিকা যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে। সেখানে জড়িয়ে আছে ষড়যন্ত্র, বিশ্বাসঘাতকতা এবং এমন কিছু সত্য যা বদলে দিতে পারে তার পারিবারিক ইতিহাস।
“থ্রি এ এম” বইটির প্রথম দিকের কিছু কথাঃ এক ঘন্টা।ষাট মিনিট। তিন হাজার ছয়শ সেকেন্ড। | প্রতিদিন আমার জন্যে কেবল এটুকু সময়ই বরাদ্দ থাকে। এই এক ঘন্টাই আমি জেগে থাকি পুরো চব্বিশ ঘন্টার মধ্যে। কিন্তু এই ঘটনার পেছনের বৈজ্ঞানিক ব্যাখা দিয়ে আমি আপনাদের বিরক্ত করতে চাই না, বরং সরাসরি গল্পে চলে যাওয়া যাক। আর সেই গল্পও একখান! এক ঘন্টার মধ্যেই আমাকে সেটা আপনাদের শোনাতে হবে। কিন্তু তা-ও আপনাদের এটুকু জানিয়ে রাখি, এমন কোন ডাক্তার নেই যাকে আমি দেখাইনি, আর যত প্রকারের ওষুধ কারো পক্ষে খাওয়া সম্ভব আমি খেয়েছি। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি। আমি প্রতিদিন রাত তিনটায় ঘুম থেকে উঠি আর এর এক ঘন্টার মধ্যেই আবার ঘুমিয়ে পড়ি। এরপর টানা তেইশ ঘণ্টা ঘুমিয়েই কাটিয়ে দেই। পরের দিন আবার রাত তিনটায় জেগে উঠি। এভাবেই চলছে আমার জীবন। জানি, এরকম জীবনে হয়ত বেশি কিছু করা যায় না, কিন্তু এটাই আমাকে মেনে নিতে হয়েছে।আমার বয়শ এখন ছত্রিশ।
এই বয়সে অন্যরা প্রায় ২০০০০০ ঘন্টা জেগে কাটিয়েছে। কিন্তু আমি এই সময়ে জেগে ছিলাম ১৪,০০০ ঘন্টারও কম। একটা তিন বছরের বাচ্চার চেয়েও কম। ডাক্তারদের মতে, পুরো পৃথিবীতে মাত্র তিনজন মানুষ আছে যারা কিনা আমার মত এরকম একই মেডিকেল কন্ডিশনের ভুক্তাভোগি হ্যা, মেডিক্যাল কন্ডিশন-এইটাই বলে তারা। কোন রোগ না, কোন অসুস্থতা না, শুধু একটা মেডিক্যাল কন্ডিশন। তাইওয়ানের একটা বাচ্চা মেয়ের আছে এই কন্ডিশন আর আইসল্যান্ডে একটা ছেলের। কিন্তু এই কন্ডিশনের নামকরণ করা হয়েছে আমার নাম অনুযায়ি। কারণ আমার ব্যাপারটাই প্রথম নজরে। এসেছিল সবার। হেনরি বিনস-এটাই বলা হয় এই কন্ডিশনকে। আমি হেনরি বিনস আর আমার হেনরি বিনস আছে বাহ্ সারাংশ
এক ঘন্টা।ষাট মিনিট। তিন হাজার ছয়শ সেকেন্ড। সাধারণের জন্য যা খুবই সামান্য হেনরি বিনসের জন্য তাইই মহার্ঘ্য। কেননা চব্বিশ ঘন্টার মাঝে এতটুকু সময়ই তার জন্য বরাদ্দ। রাত ৩টা থেকে ৪ টা। বাকি সময় বিরল মেডিক্যাল কন্ডিশনে ভোগা হেনরির সময় কাটে ঘুমে। এই হেনরিই ঘটনাচক্রে পরে যান এক খুনের ঘটনায়। খুনের সাসপেক্ট স্বয়ং আমেরিকার প্রেসিডেন্ট। যে খুনের পরোক্ষ স্বাক্ষী ছিল হেনরি সেই খুনেরই আসামি হিসেবে পুলিশ তাকেই সন্দেহ করে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত হেনরিই তার বরাদ্দকৃত ১ ঘন্টা সময় দিয়েই খুনের তদন্ত করে-পড়ামাত্রই যা মনে হয় অবিশ্বাস্য!
চরিত্র ও থিম
- 🕵️ হেনরি বিন্স – রহস্যভেদকারী, সময়ের বিপরীতে চলা নায়ক
- 👨👦 বাবা-পুত্র সম্পর্কের জটিলতা ও আবেগ
- ⏳ অতীত ও বর্তমানের সময়জাল
- 🔍 ইতিহাস, ষড়যন্ত্র ও থ্রিলারের সুনিপুণ মিশেল
থ্রি ফিফটি থ্রি এ এম লেখক পরিচিতি: নিক পিরোগ
নিক পিরোগ একজন মার্কিন থ্রিলার ও গোয়েন্দা কাহিনিকার, যিনি “হেনরি বিন্স”, “থমাস প্রেস্কট” ও “ম্যাডি ইয়ং” এর মতো জনপ্রিয় চরিত্রের স্রষ্টা। মাত্র ২২ বছর বয়সে লেখালেখি শুরু করে তিনি একাধিক বেস্টসেলিং উপন্যাস রচনা করেছেন, যার মধ্যে “থ্রি এ এম” সিরিজ অন্যতম।
তার গল্পে রহস্যের আবরণ ক্রমে উন্মোচন হয়, পাঠক যেন প্রতিটি পাতায় টানটান উত্তেজনা অনুভব করেন।
কেন পড়বেন?
- 🔥 রহস্য ও থ্রিলারের অনন্য সংমিশ্রণ
- 🧠 সময়, স্মৃতি ও নৈতিকতার গভীর প্রশ্ন
- 📖 হালকা ভাষা ও দ্রুত পড়া যায় এমন লেখনশৈলী
- 🔁 সিরিজের আগের পর্বগুলো না পড়লেও উপভোগ্য
বইয়ের বিবরণ:
- নাম: থ্রি: ফিফটি থ্রি এ.এম.
- লেখক: নিক পিরোগ
- অনুবাদক: সালমান হক
- প্রকাশনা: চিরকুট
- প্রকাশকাল: ২০২৫
- পৃষ্ঠা সংখ্যা: ২০৮
- ভাষা: বাংলা
- বিষয়বস্তু: রহস্য, গোয়েন্দা, ভৌতিক থ্রিলার
উপসংহার
“থ্রি: ফিফটি থ্রি এ.এম.” একটি স্বল্প সময়ের মধ্যে সম্পূর্ণ ঘটনার বিস্ফোরণ। হেনরি বিন্সের এই যাত্রা শুধুই থ্রিল নয়, বরং এটি অতীত ও ভবিষ্যতের মাঝে দোদুল্যমান এক মানবিক কাহিনি। গোয়েন্দা সাহিত্যের অনুরাগীদের জন্য এটি একটি অবশ্যপাঠ্য গ্রন্থ।
📚 সংগ্রহ করুন আজই:
👉 থ্রি: ফিফটি থ্রি এ এম – নিক পিরোগ | চিরকুট প্রকাশনী







