কালের পুতুল – বুদ্ধদেব বসু | বিশ্বসাহিত্যকেন্দ্র
- Estimated Delivery : Up to 4 business days
- Free Shipping & Returns : On all orders over $200
কালের পুতুল – বুদ্ধদেব বসু বাংলা সাহিত্য সমালোচনার জগতে একটি মাইলফলক। ১৯৪৬ সালে প্রথম প্রকাশিত এই গ্রন্থটি বাংলা কবিতার আধুনিকতা এবং রবীন্দ্র-পরবর্তী যুগের কাব্যধারার এক অসামান্য দলিল। বুদ্ধদেব বসু কেবল একজন কবি বা ঔপন্যাসিক ছিলেন না, তিনি ছিলেন আধুনিক মননশীলতার একজন প্রধান কারিগর। কালের পুতুল – বুদ্ধদেব বসু গ্রন্থে তিনি অত্যন্ত সাহসের সাথে সমকালীন সাহিত্যের বিচার করেছেন, যা আজও পাঠকদের জন্য দিকনির্দেশনা হিসেবে কাজ করে। বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র থেকে প্রকাশিত ১৪৪ পৃষ্ঠার এই সংস্করণটি প্রতিটি রুচিশীল পাঠকের সংগ্রহে থাকা উচিত।

কালের পুতুল – বুদ্ধদেব বসু: আধুনিক কবিতার মনস্তত্ত্ব ও শৈল্পিক বিচার
| বইয়ের নাম | কালের পুতুল |
| লেখক | বুদ্ধদেব বসু |
| প্রকাশক | বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র |
| সংস্করণ | 2nd Edition, 2012 |
| পৃষ্ঠা সংখ্যা | ১৪৪ পৃষ্ঠা |
| আইএসবিএন (ISBN) | 9841803127 |
বইটির সারসংক্ষেপ ও কাব্যদর্শন
কালের পুতুল – বুদ্ধদেব বসু মূলত একগুচ্ছ প্রবন্ধের সংকলন, যেখানে লেখক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর থেকে শুরু করে জীবনানন্দ দাশ, অমিয় চক্রবর্তী এবং সুধীন্দ্রনাথ দত্তের কাব্যকৃতি নিয়ে আলোচনা করেছেন। বুদ্ধদেব বসুর মতে, সাহিত্যের বিচার কেবল প্রশংসার ঝুলি নয়, বরং অত্যন্ত নির্মোহ ও যুক্তিগ্রাহ্য বিশ্লেষণ। এই গ্রন্থে তিনি দেখিয়েছেন কীভাবে রবীন্দ্র-প্রভাব কাটিয়ে বাংলা কবিতা সাবালক হয়ে উঠছিল। কালের পুতুল – বুদ্ধদেব বসু পাঠ করলে বোঝা যায় আধুনিকতা কেবল সময়নির্ভর নয়, এটি একটি দৃষ্টিভঙ্গির নাম। লেখকের তীক্ষ্ণ পর্যবেক্ষণ এবং প্রজ্ঞা এই বইটিকে বাংলা সমালোচনা সাহিত্যে অনন্য করে রেখেছে।
গদ্যরীতি ও ভাষাশৈলী
বুদ্ধদেব বসুর গদ্য অত্যন্ত ঝরঝরে, মার্জিত এবং কাব্যিক। তিনি অত্যন্ত জটিল তাত্ত্বিক কথাকেও অত্যন্ত সাবলীল ভাষায় পাঠকদের কাছে পৌঁছে দিতে পারতেন। কালের পুতুল – বুদ্ধদেব বসু পড়তে গিয়ে পাঠক বুদ্ধদেব বসুর অসামান্য রসবোধ এবং পাণ্ডিত্যের পরিচয় পাবেন। ১৪৪ পৃষ্ঠার এই সংক্ষিপ্ত পরিসরে তিনি বাংলা কবিতার পালাবদলের ইতিহাসকে যেভাবে ধরেছেন, তা বিস্ময়কর। বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র এই সংস্করণটি প্রকাশের সময় মূল টেক্সটের পবিত্রতা রক্ষা করেছে, যা গবেষণার কাজেও সহায়ক। কালের পুতুল – বুদ্ধদেব বসু কেবল একটি সমালোচনা গ্রন্থ নয়, এটি বাংলা গদ্যের এক চমৎকার নমুনা।
কেন এই প্রবন্ধ সংকলনটি আপনার সংগ্রহে থাকা উচিত?
- আধুনিক কবিতার পাঠশালা: বাংলা আধুনিক কবিতার প্রকৃত অর্থ বুঝতে এই বইয়ের কোনো বিকল্প নেই।
- বুদ্ধদেব বসুর প্রজ্ঞা: বিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ মেধাবী মানুষের চিন্তা প্রক্রিয়ার সাথে পরিচিত হওয়া যায়।
- সাহিত্য বিচারের মানদণ্ড: কীভাবে একটি সাহিত্যকর্মকে নিরপেক্ষভাবে বিশ্লেষণ করতে হয়, তার হাতেকলমে শিক্ষা।
- বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র সংস্করণ: নির্ভুল মুদ্রণ, মজবুত বাঁধাই এবং অত্যন্ত সাশ্রয়ী মূল্য।
আজকের যুগে ‘কালের পুতুল’-এর প্রাসঙ্গিকতা
বর্তমান সময়ে যখন আমরা সাহিত্যের মান নিয়ে তর্কে লিপ্ত হই, তখন কালের পুতুল – বুদ্ধদেব বসু আমাদের মানদণ্ড নির্ধারণে সাহায্য করে। সময়ের স্রোতে অনেক কিছু হারিয়ে যায়, কিন্তু প্রকৃত সাহিত্য কীভাবে ‘কালের পুতুল’ হয়ে অমরত্ব লাভ করে, লেখক তা স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করেছেন। যারা কবিতা লেখেন কিংবা যারা কবিতার নিয়মিত পাঠক, তাঁদের জন্য এই বইটি একটি ম্যাপ বা মানচিত্রের মতো কাজ করবে। বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র এই ধ্রুপদী সমালোচনা গ্রন্থটিকে সুলভ মূল্যে পুনরায় প্রকাশ করে সাহিত্যচর্চায় এক মহান ভূমিকা পালন করেছে।
লেখক পরিচিতি: বুদ্ধদেব বসু (১৯০৮–১৯৭৪)
বুদ্ধদেব বসু ছিলেন আধুনিক বাংলা সাহিত্যের বহুমুখী প্রতিভা। তিনি একাধারে কবি, প্রাবন্ধিক, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার এবং অনুবাদক। তাঁর সম্পাদিত ‘কবিতা’ পত্রিকা বাংলা আধুনিক কবিতার বিকাশে ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেছে। ১৯২৭ সালে তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘বন্দীর বন্দনা’ প্রকাশিত হয়। তাঁর অমর সৃষ্টি কালের পুতুল – বুদ্ধদেব বসু আজও বাংলা মননশীল সাহিত্যের ভাণ্ডারকে আলোকিত করে রেখেছে।
গ্রন্থাশ্রমের বিশেষ বিভাগসমূহ (Related Links)
সাহিত্য সমালোচনা ও মননশীল প্রবন্ধের আরও কিছু সেরা বই দেখতে ভিজিট করুন:
সংগ্রহ করুন এখনই!
বাংলা কবিতার স্বরূপ ও আধুনিকতার রহস্য বুঝতে বুদ্ধদেব বসুর এই কালজয়ী বইটি আজই সংগ্রহ করুন।
🛒 এখনই অর্ডার করুন (Order Now)
* ক্যাশ অন ডেলিভারি এবং দ্রুততম হোম ডেলিভারি সুবিধা।








