হোম ডেলিভারি

সমগ্র বাংলাদেশ

বছর জুড়ে

বিশেষ মূল্যছাড়

পাঠক সেবা

কল সার্ভিস

Product on sale

ইন্দুবালা ভাতের হোটেল by কল্লোল লাহিড়ী | বাতিঘরবুকশপঢাকা

Original price was: 350৳.Current price is: 280৳.

7 in stock
  • Check Mark Estimated Delivery : Up to 4 business days
  • Check Mark Free Shipping & Returns : On all orders over $200
  • Visa Card
  • MasterCard
  • American Express
  • Discover Card
  • PayPal
  • Apple Pay
Guaranteed Safe And Secure Checkout
ইন্দুবালা ভাতের হোটেল কল্লোল লাহিড়ী বাতিঘর প্রকাশনী

ইন্দুবালা ভাতের হোটেল – কল্লোল লাহিড়ী: দেশভাগ, শেকড়ের টান ও স্মৃতির এক নস্টালজিক আখ্যান

সমকালীন বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় এবং আবেগঘন একটি উপন্যাস হলো ইন্দুবালা ভাতের হোটেল। কল্লোল লাহিড়ীর জাদুকরী কলমে উঠে আসা এই গল্পটি কেবল একটি ভাতের হোটেলের গল্প নয়; এটি দেশভাগ, শেকড়চ্যুত মানুষের হাহাকার, ফেলে আসা জন্মভূমির প্রতি অকৃত্রিম টান এবং রান্নার মধ্য দিয়ে স্মৃতির শহরে ফিরে যাওয়ার এক অসামান্য উপাখ্যান। বাতিঘর প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত, ১৬০ পৃষ্ঠার এই বইটির জনপ্রিয়তা এতটাই আকাশচুম্বী যে, জুন ২০২৬-এ এর ৭ম মুদ্রণ প্রকাশিত হয়েছে। যারা দেশভাগের যন্ত্রণা এবং এপার বাংলা-ওপার বাংলার মানুষের মেলবন্ধনের গল্প পড়তে ভালোবাসেন, তাঁদের জন্য ইন্দুবালা ভাতের হোটেল একটি অবশ্য পাঠ্য মাস্টারপিস।

বইটির সারাংশ (Book Summary) ইন্দুবালা ভাতের হোটেল

ইন্দুবালা ভাতের হোটেল উপন্যাসের মূল চরিত্র ইন্দুবালা। তাঁর জন্ম অবিভক্ত বাংলার খুলনার কলাপোতা গ্রামে। সেখানে তাঁর শৈশব কেটেছে ঠাকুরমার আদর আর নানা রকম গ্রামীণ রান্নার স্বাদ ও গন্ধের মধ্য দিয়ে। কিন্তু দেশভাগের নির্মম বাস্তবতা এবং বৈবাহিক সূত্রে তাঁকে চলে আসতে হয় কলকাতায়। অল্প বয়সেই স্বামী মারা যাওয়ার পর, সম্পূর্ণ অচেনা এক শহরে সন্তানদের নিয়ে চরম অভাব আর জীবনসংগ্রামের মুখে পড়েন ইন্দুবালা। বেঁচে থাকার তাগিদে এবং সন্তানদের মুখে অন্ন তুলে দিতে তিনি শুরু করেন একটি ভাতের হোটেল।

তবে এটি আর দশটা সাধারণ হোটেলের মতো নয়। ইন্দুবালার হোটেলের মেন্যুতে থাকে কচুবাটা, আমতেল, চিতল মাছের মুইঠ্যা, বিউলির ডাল, শুঁটকি ভর্তা কিংবা চালকুমড়োর ছক্কার মতো খাঁটি বাঙাল পদ। এই রান্নাগুলো তিনি শিখেছিলেন তাঁর ঠাকুরমার কাছে। কলকাতার বুকে বসে খুলনার এই রান্নাগুলো যেন ইন্দুবালার কাছে তাঁর ফেলে আসা শৈশব ও জন্মভূমির প্রতীক। তাঁর হাতের এই জাদুকরী রান্নার স্বাদ নিতে প্রতিদিন হোটেলে ভিড় জমায় অসংখ্য মানুষ, যাদের অনেকেই ইন্দুবালার মতোই শেকড়চ্যুত। রান্নার স্বাদ আর গন্ধের মধ্য দিয়ে ইন্দুবালা যেন তাঁর হারানো দেশকে প্রতিদিন নতুন করে ফিরে পান।

উপন্যাসের প্রতিটি পৃষ্ঠায় খাবারের বর্ণনার সাথে মিশে আছে গভীর এক বিষাদ, নস্টালজিয়া এবং মানুষের বেঁচে থাকার অদম্য স্পৃহা। বইটির জনপ্রিয়তার কারণে পরবর্তীতে এটি নিয়ে ‘হইচই’ প্ল্যাটফর্মে একটি সাড়া জাগানো ওয়েব সিরিজও নির্মিত হয়েছে, যা এই গল্পের আবেদনকে আরও বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।

বইটি কেন পড়বেন? (Why Read This Book?)

যাঁরা আবেগ, স্মৃতি ও মাটির গন্ধ মেশানো গল্প পড়তে ভালোবাসেন, তাঁদের জন্য বইটি পড়া একান্ত প্রয়োজন। নিচে বইটি পড়ার কিছু বিশেষ কারণ তুলে ধরা হলো:

  • দেশভাগের মনস্তাত্ত্বিক রূপায়ণ: দেশভাগ কেবল মানচিত্রকে ভাগ করেনি, ভাগ করেছে মানুষের আত্মাকে। সেই নাড়িকাটা যন্ত্রণার অত্যন্ত সুনিপুণ ও স্পর্শকাতর বর্ণনা রয়েছে এই উপন্যাসে।
  • খাদ্য ও স্মৃতির অপূর্ব মেলবন্ধন: এই বইয়ে খাবার কেবল ক্ষুধা নিবারণের বস্তু নয়, বরং অতীত স্মৃতি, ফেলে আসা গ্রাম এবং ঠাকুরমার ভালোবাসার এক জীবন্ত প্রতীক হিসেবে উপস্থাপিত হয়েছে।
  • নারীর জীবনসংগ্রাম ও ক্ষমতায়ন: একজন অসহায় বিধবা নারী কীভাবে সমস্ত প্রতিকূলতা জয় করে নিজের পায়ে দাঁড়ায় এবং একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলে, তার এক অনুপ্রেরণামূলক দৃষ্টান্ত হলো ইন্দুবালা।
  • বাঙাল সংস্কৃতির নিখুঁত দলিল: এপার বাংলা ও ওপার বাংলার সাংস্কৃতিক পার্থক্য, বিশেষ করে ঘটি ও বাঙালদের খাদ্যাভ্যাস ও রীতিনীতির এক চমৎকার ঐতিহাসিক ও সামাজিক চিত্র ফুটে উঠেছে এই বইয়ে।
  • সাবলীল ও মায়াবী গদ্যশৈলী: কল্লোল লাহিড়ীর লেখার ধরন অত্যন্ত সহজ, সাবলীল এবং একইসাথে এতটাই চিত্ররূপময় যে, পড়ার সময় পাঠকের মনে হবে যেন তিনি নিজেই ইন্দুবালার হোটেলের বেঞ্চিতে বসে সেই রান্নার ঘ্রাণ পাচ্ছেন।

লেখক পরিচিতি (Author’s Bio)

কল্লোল লাহিড়ী বর্তমান প্রজন্মের অন্যতম প্রতিভাবান এবং পাঠকপ্রিয় একজন বাঙালি লেখক ও চিত্রনাট্যকার। তাঁর লেখনীতে ইতিহাস, মানুষের মনস্তত্ত্ব এবং প্রাত্যহিক জীবনের খুব সাধারণ ঘটনাগুলো অসাধারণ এক শিল্পরূপ লাভ করে। মূলত তাঁর লেখায় মাটি ও মানুষের শেকড়ের টান খুব গভীরভাবে ফুটে ওঠে। ‘ইন্দুবালা ভাতের হোটেল’ তাঁর সাহিত্যজীবনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কাজ, যা তাকে এপার ও ওপার বাংলার পাঠকদের কাছে দারুণভাবে সমাদৃত করেছে। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন জনপ্রিয় ওয়েব সিরিজ ও শর্টফিল্মের চিত্রনাট্য লেখার সাথে যুক্ত রয়েছেন। পাঠকদের রিভিউ এবং বইটির আন্তর্জাতিক রেটিং সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে ঘুরে আসতে পারেন গুডরিডস (Goodreads)-এর পেজটি থেকে।

গ্রন্থাশ্রমের অন্যান্য বই (Related Books)

কল্লোল লাহিড়ীর এই অসাধারণ উপন্যাসটির পাশাপাশি বাতিঘর প্রকাশনীর অন্যান্য মানসম্মত বই, দেশভাগের ইতিহাস নির্ভর সাহিত্য এবং সমকালীন জনপ্রিয় উপন্যাসগুলো দেখতে আমাদের স্টোর ঘুরে আসুন। আপনার পছন্দের সাহিত্যের বিশাল ভাণ্ডার থেকে বই সংগ্রহ করতে ভিজিট করুন: গ্রন্থাশ্রম শপ ক্যাটাগরি

বইটি অর্ডার করুন (Order Now)

বাতিঘর থেকে প্রকাশিত, ইন্দুবালা ভাতের হোটেল ১৬০ পৃষ্ঠার অত্যন্ত মানসম্মত এই বইটি আজই আপনার সংগ্রহে যুক্ত করতে নিচের লিংকে ক্লিক করে দ্রুত অনলাইনে অর্ডার সম্পন্ন করুন:

ইন্দুবালা ভাতের হোটেল👉 অনলাইনে অর্ডার করুন এখানে

অনলাইন অর্ডারের পাশাপাশি জাবি (জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়) এর সেন্ট্রাল ক্যাফেটেরিয়ার ঠিক পাশেই অবস্থিত আমাদের ‘গ্রন্থাশ্রম’ স্টোর থেকে আপনি সরাসরি এসেও বইটি সংগ্রহ করতে পারেন। ক্যাম্পাসের সকল শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সাহিত্যপ্রেমী পাঠকদের জন্য আমরা সর্বদা সেরা মানের বই সরবরাহ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

স্টোরের অবস্থান (Google Maps Location)

সরাসরি আমাদের স্টোরে এসে বই দেখতে এবং সংগ্রহ করতে গুগল ম্যাপের নিচের নির্দেশনাটি অনুসরণ করুন:

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “ইন্দুবালা ভাতের হোটেল by কল্লোল লাহিড়ী | বাতিঘরবুকশপঢাকা”

Your email address will not be published. Required fields are marked *